একরঙা ৩ডি প্রিন্টের দিন শেষ হয়ে গেছে। এখন বহু রঙে, গ্রেডিয়েন্টে এবং জটিল প্যাটার্নে ৩ডি প্রিন্ট করা সম্ভব। কিন্তু কীভাবে? মাল্টি–কালার প্রিন্টিং কীভাবে কাজ করে এবং আপনি কীভাবে রঙিন কাস্টম পণ্য পেতে পারেন — আজকে সব জানুন।
পদ্ধতি ১: মাল্টি–মেটেরিয়াল প্রিন্টিং
এই পদ্ধতিতে একটি প্রিন্টারে একাধিক ফিলামেন্ট লোড করা থাকে। প্রিন্টের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে সঠিক রঙের ফিলামেন্টে সুইচ হয়। Bambu Lab বা Prusa XL-এর মতো আধুনিক প্রিন্টার একসাথে ৪–৮টি রঙ ব্যবহার করতে পারে। এই পদ্ধতিতে সবচেয়ে পরিষ্কার ও নিখুঁত রঙ পাওয়া যায়।
পদ্ধতি ২: ফিলামেন্ট পেইন্টিং
প্রিন্টের পর হাতে রং করাও একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি। অ্যাক্রিলিক রং বা এয়ারব্রাশ দিয়ে পেইন্ট করলে অসাধারণ ফলাফল পাওয়া যায়। এই পদ্ধতি আরও বেশি কাস্টমাইজেশন সুযোগ দেয়।
পদ্ধতি ৩: রেজিন ডায়িং
রেজিন প্রিন্টে প্রিন্টের আগেই রেজিনে রং মিশিয়ে নেওয়া যায়। এতে রং সম্পূর্ণ পণ্যজুড়ে সমান থাকে। ট্রান্সলুসেন্ট রেজিনে রং মিশালে অপূর্ব গ্লাসি ইফেক্ট পাওয়া যায়।
পদ্ধতি ৪: পেইন্টেড লেয়ার চেঞ্জ
একক–রঙের প্রিন্টে নির্দিষ্ট লেয়ারে ফিলামেন্ট পরিবর্তন করে সহজ টু–কালার ইফেক্ট পাওয়া যায়। এটি কম খরচে দুই রঙের পণ্য তৈরির সহজ পদ্ধতি।
আমাদের মাল্টি–কালার প্রিন্টিং সার্ভিসে আপনি যেকোনো রঙের সমন্বয়ে কাস্টম পণ্য অর্ডার করতে পারেন। আপনার ব্র্যান্ড কালার, ব্যক্তিগত পছন্দ বা যেকোনো ডিজাইন — সব সম্ভব।


